Monday, 20 November 2017

Letter to the Editor- Anandabazar Patrika (09.11.2017)

Post Under : Kolkata Bulletin | Date : November 20, 2017 | Topics Covered :
Published in Anandabazar Patrika
অভিজ্ঞতা
২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-র নিয়োগ পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট দিনে পরীক্ষাকেন্দ্রে নির্ধারিত আসনে বসি। পরীক্ষাকেন্দ্রে দু’জন ইনভিজিলেটর নিযুক্ত ছিলেন। সময় চলে যাওয়ার অনেক পরেও প্রশ্নপত্র আমাদের কাছে আসেনি। কারণ, একতলার চার নম্বর ঘরে যেখানে আমাদের পরীক্ষা চলছিল, সেই ঘরটিতে তিনটি সারিতে বেঞ্চ পাতা ছিল, প্রত্যেক বেঞ্চে তিন জনের জন্য আসন বরাদ্দ ছিল। ডান দিক থেকে প্রশ্ন দেওয়া শুরু করে যখন আমাদের দিকে প্রশ্ন এল, তখন ১২ মিনিট সময় অতিক্রান্ত। তার পরেও প্রশ্নপত্র দিতে যথেষ্ট দেরি হচ্ছিল। উত্তরপত্রের নির্দিষ্ট স্থানে প্রশ্নপত্রের ক্রমাঙ্ক নং লিখে গোল করতে হয়, প্রশ্নপত্র না পাওয়ার জন্য সেই কাজ করতেও দেরি হয়।
কেন্দ্রীয় সরকারের এমন একটি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের মুখ বন্ধ ছিল না। সাধারণ ভাবে এই ধরনের প্রশ্নপত্রগুলি সিল করা থাকে এবং পরীক্ষার্থীদের এই মর্মে নির্দেশিকা দেওয়া থাকে, যতক্ষণ না ঘণ্টা পড়ছে, প্রশ্নপত্রের সিল কাটা যাবে না। প্রশ্নপত্র আগে দেওয়ার কারণ হল, উত্তরপত্রের নির্দিষ্ট স্থানে তার ক্রমাঙ্ক লিখতে হয়। এমন কোনও ঘণ্টার আওয়াজ আমরা পাইনি। পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে কোনও ওয়ার্নিং বেল-ও পড়েনি। পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইনভিজিলেটর বাঁ দিক থেকে খাতা সংগ্রহ করতে শুরু করেন। অথচ ডান দিকে যারা ছিল, তারা পরীক্ষা দিতে থাকে। ইনভিজিলেটর আমাদের প্রত্যেকের উত্তরপত্রে (ওএমআর শিট) স্বাক্ষর করেননি। এত কিছুর পরে আমরা একটি অভিযোগপত্র লিখে সকলের স্বাক্ষরসমেত কয়েক জন মিলে আইবি-র নিযুক্ত পর্যবেক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই। আমাদের বাইরে অপেক্ষা করতে বলা হয়। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরে আমরা পর্যবেক্ষকের দেখা পাই। তাঁকে সমস্যার কথা জানিয়ে আমরা অভিযোগপত্রটি জমা দিতে চাইলে, তিনি নিতে অস্বীকার করেন এবং কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন আমাদের কলেজের গেটের বাইরে বের করে দিতে। সবচেয়ে হতাশ করল পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থার আমাদের প্রতি ব্যবহার।
ধীমান হালদার  কলকাতা-৩২

google+

linkedin