Published in Anandabazar Patrika.
ডি এল এড
কেন্দ্রীয় সরকারি নির্দেশ অনুসারে রাজ্যের সমস্ত সহায়ক/সহায়িকা/সম্প্রসারক/সম্প্রসারিকাদের চলতি বছরে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ওপেন স্কুলিং (এনআইওএস)-এর অধীনে ডিএলএড (ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন) কোর্সের জন্য ভর্তি হতে হয়েছে। তবে একটি নির্দিষ্ট স্থানে প্রশিক্ষণ দেওয়ার যে কথা জানানো হয়েছিল, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানা যাচ্ছে না।
গত ২৬ অক্টোবর দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের এসএসকে/এমএসকের নোডাল অফিসার দ্বারা একটি মেমো (Memo no-2521/ZP/SSK-MSK/CXI/17, dated-26/10/2017) জারি করা হয়। সম্পাদনকারী অফিসার/ বিডিও-কে নির্দেশিত এই মেমোতে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখিত রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ শিশু শিক্ষা মিশনের নির্দেশ মাফিক সংশ্লিষ্ট সম্পাদনকারী অফিসারদের ১ নভেম্বর ২০১৭ সালের মধ্যে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম জানাতে হবে। মেমোটিতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রকৃতি কেমন হবে সে বিষয়ের বিস্তারিত উল্লেখও রয়েছে। কবে থেকে এই প্রশিক্ষণের ক্লাস শুরু হবে, সে বিষয়ে ব্লকে (জয়নগর-২) জানতে গেলে ব্লক থেকে জানানো হয়, এই ব্যাপারে তাঁরা কিছুই বলতে পারবেন না। আরও জানা যায়, তাঁরা পূর্ব উল্লেখিত মেমো কপিটিতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কোনও ব্যবস্থা নেই জানিয়ে কপিটি জেলায় ফেরত পাঠিয়েছেন।
এই টালবাহানার জেরে সাধারণ সহায়ক/সহায়িকা/সম্প্রসারক/সম্প্রসারিকারা প্রবল ধন্দে রয়েছেন। কেননা, এই কোর্সের প্রথম পরীক্ষার সময় আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্ধারিত। ইতিমধ্যে এনআইওএস তাদের ওয়েবসাইটে ডিএলএড কোর্সের জন্য বাংলায় স্টাডি মেটিরিয়াল প্রদান করা শুরু করেছে। এ ছাড়াও, স্বয়ংপ্রভা ডিটিএইচ চ্যানেল ও মোবাইল অ্যাপ-এর সাহায্যে ভিডিয়ো ক্লাসের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু খুব কম বেতনের এই চাকরিতে নতুন করে ডিটিএইচ বা স্মার্টফোন কিনে পঠনপাঠন শুরু করা এক জন সহায়ক/সহায়িকার পক্ষে বেশ সমস্যার।
এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই পশ্চিমবঙ্গ শিশু শিক্ষা মিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, প্রতিটি ব্লকে ক্লাসের ব্যবস্থা করা হবে। এক দিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া কবে থেকে শুরু হবে তা যেমন জানা যাচ্ছে না, তেমনই এই প্রশিক্ষণের বিষয়টি নিয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় হাতের কাছে স্টাডি মেটিরিয়াল থাকলেও পঠন প্রক্রিয়া শুরু করা যাচ্ছে না। এমত অবস্থায় উল্লেখিত ব্লকে প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া সত্বর শুরু করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা হোক।
ধীমান হালদার নলগোড়া, কুলতলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
